Translate

হিন্দুদের পবিত্র চিহ্ন স্বস্তিকা ও নাৎসি পার্টির ক্রকেড ক্রস | The swastika symbol of the Hindus and the crooked cross of the Nazi party

The swastika symbol of the Hindus and the crooked cross of the Nazi party,হিন্দুদের পবিত্র চিহ্ন স্বস্তিকা ও নাৎসি পার্টির ক্রকেড ক্রস,india, delhi,

হিন্দুদের পবিত্র চিহ্ন "স্বস্তিকা" -কে হিটলারের নাৎসি পার্টির "ক্রকেড ক্রস" -এর সঙ্গে মিলিয়ে হিন্দুদের বদনাম করবার কম চেষ্টা করা হয়নি। এমনকি হিন্দুদের নাৎসিদের মত বর্বর প্রমান করবারও চেষ্টা করেছে ভারতের পঞ্চমক্কাররা। আসুন এই দুটির মধ্যে পার্থক্য জেনে নিন। যাতে আগামীদিনে কেউ আপনার সামনে এইসব অসভ্যতামো করবার আগে দুবার ভাবে।।


স্বস্তিকা চিহ্ন নিয়ে বিতর্ক আবারও উথাপিত হয়েছে। মার্কিন সিনেটের সদস্য টোড কামিনস্কি নিউইয়র্ক রাজ্য সিনেট বিল এস এস ৬৬৪৮ পেশ করেন। জোসেফ অডাব্বা জুনিয়র, আলেসান্দ্রো বিয়াগি, জন ই. ব্রুকস এবং ডেভিড কার্লুচি– সমস্ত ডেমোক্রেটিক দলের সদস্যগণ বিলটিকে সমর্থন জানিয়ে সম্মিলিতভাবে পেশ করেন। বিলটিতে বলা হয়েছে যে, ‘ছয় থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর পাঠক্রমের‘ মাধ্যমে ছাত্র–ছাত্রীদের কাছে এটাকে ‘ঘৃণার প্রতীক‘ হিসাবে দেখানো উচিত।
সিনেট দ্বারা স্বীকৃত বিলটিতে বলা হয়েছে, “সাধারণত নাৎসি জার্মানির জাতিবিদ্বেষ ও ভীতিপ্রদর্শনের প্রতীক তথা মারণ প্রতীক হিসাবে বিকশিত ‘স্বস্তিকা চিহ্নের‘ অর্থ সম্বন্ধে ছাত্র–ছাত্রীদের বিস্তারিতভাবে সচেতন করা অত্যাবশ্যক।“
ইতিমধ্যে, আমেরিকার বিশ্বহিন্দু পরিষদের (ভি এইচ পি এ) উদ্যোগে গঠিত ‘মানহানির বিরুদ্ধে মার্কিন হিন্দু‘ (এ এইচ এ ডি) অজ্ঞতাবশত স্বস্তিকা এবং নাৎসি হ্যাকেনক্রজের মধ্যে পৃথকীকরণ না করার জন্য বিলটির বিরুদ্ধে ন্যায়ত প্রতিবাদ জানায়। আমেরিকার বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আইনী সহায়তা এবং সচেতনতা বিভাগের প্রমুখ উৎসব চক্রবর্তী এই বিষয়ে বৈদিক–বৌদ্ধ–জৈন দৃষ্টিভঙ্গিকে সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছেন, “স্বস্তিকাকে যে ভয়াবহভাবে অপব্যবহার এবং ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে তা আমরা স্বীকার করছি। এমনকি, হিটলার কখনও ‘স্বস্তিকা‘ শব্দটি ব্যবহার করেন নি, পরিবর্তে তিনি এই চিহ্নকে হাকেনক্রজ বলে আখ্যায়িত করেন, বিগত ৭০ বছর ধরে স্বস্তিকা চিহ্ন ক্রমাগত বিদ্বিষ্ট এবং অপপ্রচারিত হয়ে চলেছে। এটা অবশ্যই সংশোধন করতে হবে। চিহ্নটিকে ফেলে না দিয়ে না করে আমাদের এর ইতিবাচক ইতিহাস উদযাপন করা উচিত। আমাদের হিটলার এবং তার ঘৃণ্য আদর্শের অনুগামীদের কাছ থেকে এটি পুনরুদ্ধার করতে হবে। এই ভুল অবশ্যই সংশোধিত করতে হবে।“



বেলজিয়ান ভারততত্ত্ববিদ ডঃ কোয়েনরাড এলস্ট মনে করিয়ে দেন যে, ১৯৫৫ সালে শ্রীলঙ্কা এবং পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে ভারত যখন রেড ক্রসের জায়গায় লাল স্বস্তিকা চিহ্ন ব্যবহারের দাবি করে, তখন আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কীভাবে এই যুক্তিসঙ্গত এবং ধর্মনিরপেক্ষ দাবি খারিজ করে দেয়। ডঃ এলস্ট তাঁর “‘Return of the Swastika: Hate and Hysteria versus Hindu Sanity (স্বস্তিকার প্রত্যাবর্তন: ঘৃণা এবং উন্মত্ত আবেগ বনাম হিন্দু বিবেচনা)” শীর্ষক বইটিতে এক গুরুত্বপূর্ণ সত্য তুলে ধরেছেন, সেটি হল যে, পশ্চিমারা স্বস্তিকা চিহ্নের শুভ এবং সৌম্য পরিচয় সম্পর্কে একেবারেই অজ্ঞ ছিলো না তা নয়, বরং তারাও একেবারে সত্যকে ধামাচাপা দিয়ে নাৎসিদের মতই এই প্রাচীন প্রতীককে অপব্যবহার করছে।
The swastika symbol of the Hindus and the crooked cross of the Nazi party,হিন্দুদের পবিত্র চিহ্ন স্বস্তিকা ও নাৎসি পার্টির ক্রকেড ক্রস,india, delhi,

এমনকি কানাডার অন্টারিওর একটি শহরের নাম কীভাবে ‘স্বস্তিকা‘ রাখা হয়েছে তাও এলস্ট লিপিবদ্ধ করেছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতেও সরকারের দ্বারা শহরটির নাম উইনস্টন (চার্চিলের নামে) রাখার বিরুদ্ধে সেখানকার অধিবাসীরা প্রতিরোধ করেছিলো। তারা সবাই মিলে বলেছিলো, “হিটলার নরকবাসী হোক। আমাদের কাছে তার আগে থেকেই স্বস্তিকা আছে।“

পশ্চিমাদের দ্বারা নাৎসিদের প্রতীক হিসাবে স্বস্তিকা চিহ্নের আগ্ৰাসী এবং ব্যাপক প্রচারের নেপথ্যে একটি সমষ্টিগত অপরাধবোধ ও মানসিক পরিবর্তন কাজ করে থাক্তে পারে। হ্যাঁ, অধিকাংশ মানুষকেই জানতে দেওয়া হয় নি যে স্বস্তিকা শব্দটি হিটলার একবারও বলেননি, তিনি হাকেনক্রশ (হুকযুক্ত ক্রশ) বলেই এই প্রতীককে বলেছিলেন। হিটলার যে লাম্বাক শহরে বড়ো হয়েছেন, তার গির্জাটিতে হাকেনক্রশের উপস্থিতির কথা ইতিমধ্যেই ২০১৮ সালে ‘খ্রিষ্টানধর্মের প্রচারকদের দ্বারা হিন্দু প্রতীকের মানহানি‘ প্রবন্ধটিতে নথিভুক্ত করেছেন ‘ট্রু ইন্ডোলজি’। হিটলারের অন্যতম জীবনীকার রবার্ট পেইন বলেছেন যে, হিটলার তাঁর ভবিষ্যতের আদর্শ হিসাবে ঐ গির্জাধ্যক্ষের প্রতি তাঁর মুগ্ধতা উল্লেখ করেছেন। উনবিংশ শতাব্দীর পঞ্চাশ এবং ষাটের দশকে লাম্বাক শহরের গির্জাটির অধ্যক্ষ থিওডরিচ ভন হ্যাগেন হাকেনক্রশকে তাঁদের পরিচয় চিহ্নে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন।

হিটলার তাঁর বাবার বাসগৃহের জানালা থেকে হাকেনক্রশটি দেখতে পেতেন, এবং রবার্ট পেইনের মতে, থিওডরিচ ভন হ্যাগেনের হাকেনক্রশ (হুকযুক্ত ক্রশ) চিহ্নটিই সম্ভবত পরে নাৎসির হাকেনক্রশে পরিণত হয়েছিলো।
বেশ কিছু ঐতিহাসিক আছেন যারা লাম্বাকের হাকেনক্রজ থেকে প্রভাবিত হয়ে হিটলার কর্তৃক পরবর্তীকালে নাৎসি হ্যাকেনক্রজ ব্যবহারের ব্যাপারে ভিন্নমত পোষণ করেন।
এটা মনে রাখতে হবে যে, ইচ্ছাকৃতভাবে এবং অন্যায়ভাবে হুকযুক্ত ক্রশ চিহ্নকে স্বস্তিকা হিসাবে পরিচয় দেওয়া হয়, কিন্তু এছাড়াও ঘৃণার চিহ্ন রূপে আয়রন ক্রশ এবং কু ক্লুক্স ক্ল্যানের বার্নিং ক্রশ প্রভৃতি রয়েছে হুকযুক্ত ক্রুশ অথবা হাকেনক্রশ, নাৎসিদের আয়রন ক্রশ এবং কু ক্লুক্স ক্ল্যানের বার্নিং ক্রশ চিহ্নগুলি হলো আসলে ক্রশ চিহ্ন, সাধারণভাবে এই মিলটাই এদের মধ্যে রয়েছে!

সুস্পষ্ট ও অমার্জনীয় অসহিষ্ণুতা এবং ঘৃণা দ্বারা পরিপূর্ণ আন্দোলনের প্রতীক হিসাবে ক্রশের বারবার ফিরে আসার ইতিহাস বদলে ফেলার জন্যই পশ্চিমারা স্বস্তিকার উপর এই দোষটি চাপিয়ে দেয় – ঠিক এইভাবেই খ্রিষ্টধর্ম নাৎসি এবং কু ক্লুক্স ক্ল্যানের আন্দোলনকে অস্বীকার করে যাদের কেন্দ্রে ছিলো ঘৃণা, অথচ এদের সাথে প্রচারমূলক খ্রিষ্টান ধর্মতত্ত্বের নাড়ির সম্পর্ক রয়েছে।


ক্যালিফোর্নিয়ার ডেভিসের রাশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্মানিক অধ্যাপক ডঃ ডানিয়েল রঙ্কার–লাফেরিয়ারি তাঁর বিস্তারিত জ্ঞানসমৃদ্ধ পুস্তক “The Sign of the Cross: From Golgotha to Genocide (ক্রশের চিহ্ন: গোরস্থান থেকে গণহত্যা পর্যন্ত)” (রুটলেজ, ২০১৭) এর মাধ্যমে আপোষহীন ভাষায় এই সত্যটি তুলে ধরেছেন।
তিনি সুস্পষ্টভাবে বলেন, “ঘটনা হচ্ছে যে, বিভিন্ন রকমের ক্রশ চিহ্নের মধ্যে হুকযুক্ত ক্রুশ চিহ্নটিও খ্রিষ্টানরা নিজস্ব প্রসঙ্গেই ব্যবহার করেছে। তাহলে এ বিষয়ে আলোচনার সময় এটিকে কেন ‘স্বস্তিকা’ বলে আখ্যায়িত করা হয়? বিশেষত, আউশউইটসের ঘটনার পরেও এই শব্দটি ব্যবহার করে হিন্দু, বৌদ্ধ ও অন্যান্য কিছু গোষ্ঠীকে অপমান কেন করা হয়? নাৎসি হাকেনক্রশকে খ্রিষ্টীয় শব্দ ও খ্রিষ্টীয় চিহ্ন হিসাবে কেন পরিচিতি দেওয়া হয় না? ওরকম ব্যাপক গণহত্যার পর ইংরেজিতে এই শব্দটির সর্বাধিক নির্ভুল এবং সাংস্কৃতিকভাবে গ্রহণযোগ্য অনুবাদ হলো হুকড ক্রশ।“ হুকযুক্ত ক্রুশ খ্রিষ্টধর্মের চেয়ে প্রাচীন, খ্রিষ্টানদের এ ধরনের অভিযোগের বিরুদ্ধে সরব হয়ে প্রোফেসর রঙ্কার–লাফেরিয়ারি উল্লেখ করেছেন যে, খ্রিষ্টানদের অন্যান্য ক্রশ চিহ্নগুলিও খ্রিষ্টধর্মের চেয়ে প্রাচীন, কিন্তু তার জন্য এগুলিকে অখ্রিষ্টীয় বলে গণ্য করা হয় না।


১৯৩০ সালে হিটলার হুকযুক্ত ক্রুশ চিহ্নকে নাৎসি দলের প্রতীক হিসাবে উল্লেখ করে যে বক্তব্য রাখেন তা প্রোফেসর তুলে ধরে বলেন যে, “জার্মানির মধ্যে ‘ক্যাথোলিক ও প্রোটেস্ট্যান্ট‘ এই দুই খ্রিষ্টীয় পন্থাকে একত্রিত করা তাঁর লক্ষ্য, এবং এর একটি রাজনৈতিক অভিব্যক্তি হল নাৎসি দলের এই প্রতীক। এই খ্রিষ্টীয় ক্রসটি ইহুদিদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ‘সংগ্ৰাম’ এর প্রতিনিধিত্ব করেছে।“


মানবতার বিরুদ্ধে হলোকস্টের মতো এক অপরাধ হয়েছে।খ্রিষ্টানরা সেই অপরাধ থেকে কিভাবে হাত ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করেছে সেই আচরণের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে এই সমস্যার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি। প্রোফেসর রঙ্কার–লাফেরিয়ারি ব্যাখ্যা করেন যে, “মৃত্যুকে পরাস্ত করে অখ্রিষ্টান এমনকী খ্রিষ্টান শত্রুদের উপরেও সামরিক বিজয়ের চিহ্ন হিসাবে রাজনৈতিক ও সামরিক খ্রিষ্টান নেতাদের দ্বারা ক্রশ ব্যবহৃত হয়ে এসেছে। উদাহরণস্বরূপ, একাধিক ক্রুসেড সহ মুসলিম, ইহুদি, অবিশ্বাসী, মূর্তিপূজকদের এবং অন্যান্য অনেকের বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে খ্রিষ্টান ক্রশের ছত্রছায়ায় সমবেত হয়েছে সামরিক বাহিনী। ক্রশ চিহ্নের শত্রু হিসাবে বিবেচিত জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সর্বশেষ সফল যুদ্ধ ছিলো হলোকস্ট (ষাট লক্ষ ইহুদি ক্ষতিগ্রস্ত হয়)। এক্ষেত্রে ক্রসটি ছিলো হুকযুক্ত ক্রশ, যা অন্যান্য ক্রুশ চিহ্নগুলির (সমবাহু গ্ৰীক ক্রশ, কাই–রো ক্রশ) মতোই প্রাক–কন্সট্যান্টিনীয় যুগে রোমানদের সমাধিস্থল থেকে খ্রিষ্টান প্রতীক হিসাবে গৃহীত হয়। রোমান ক্যাথলিক স্বৈরাচারী শাসক হিটলারের কাছে নাৎসিদের হ্যাকেনক্রশ চিহ্নটি হিন্দু ‘স্বস্তিকা‘ ছিলো না। ব্যর্থ শিল্পী হিটলার তাঁর ছোটোবেলায় লাম্বাকের বেনেডিক্টিন মঠে অধ্যয়নরত অবস্থায় যে হুকযুক্ত ক্রশ চিহ্ন লক্ষ্য করেন, সম্ভবত তার ভিত্তিতেই সৃষ্টি করেছিলেন এটি। খ্রিষ্টান ক্রশ চিহ্নের সাথে সহিংসতা ও অত্যাচারের একটা বড়ো ইতিহাস জড়িত আছে বলেই শিক্ষিত খ্রিস্টানরা তাদের নিজস্ব বিশ্বাসের প্রধান প্রতীকের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য প্রকাশে মারাত্মক মানসিক প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হন।“


তাহলে এর সমাধান কী? খ্রিষ্টানদের ভাষ্যে একটি সমাধান উঠে এসেছে, যেটি হলো, হলোকস্ট জনিত অপরাধের দায় থেকে আধিপত্যবাদী খ্রিস্টান ধর্মতত্ত্বকে মুক্তি দিয়ে বরং সেই দায় খ্রিষ্টধর্মের অবশিষ্ট শত্রুদের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু ধর্মগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে, অর্থাৎ ‘পৌত্তলিক’ দের বিরুদ্ধে সর্বশেষ যুদ্ধে অস্ত্ররূপে ব্যবহার করা।
ক্রমাগত হুকযুক্ত ক্রশকে ‘স্বস্তিকা‘ বলে আখ্যায়িত করে খ্রিষ্টান সমাজ নাৎসিদের ইহুদিবিদ্বেষের দোষটি পৌত্তলিকতার উপর চাপিয়ে দিতে সফল হয়েছে। সম্প্রসারণের দ্বারা তারা হিন্দুধর্মকেও এর সঙ্গে যুক্ত করেছে। তাই, শিশুরা যখন ‘হুকড ক্রশ’ না শিখে ‘স্বস্তিকা’ কে ঘৃণার প্রতীক হিসাবে শিখবে, তখন একইসাথে তারা ‘আর্যদের ভারত আক্রমণতত্ত্ব’ এবং তথাকথিত ভারতের বর্ণপ্রথার জাতিগত ব্যাখ্যা সম্পর্কেও শিক্ষালাভ করবে। এইভাবে ছাত্র–ছাত্রীরা হিন্দুধর্মকে নাৎসিবাদের অনুরূপ বলে গ্ৰহণ করবে।

শিশুরা বিদ্যালয় থেকে পাশ করার পর যদি ভারততত্ত্ব নিয়ে পড়াশোনা করতে যায়, তাহলে শেল্ডন পোলকের দক্ষতার সঙ্গে পরিবেশিত মিথ্যা গবেষণা পড়ে জানতে পারবে যে, জার্মান ভারততত্ত্বের মধ্য দিয়ে ভারতের বৈদিক পন্থা কীভাবে জার্মানিকে ভিতর থেকে গ্রাস করে, এবং এর ফলে বা এর সাহায্যে কীভাবে নাৎসি আন্দোলন সংঘটিত হয়। এইভাবে খ্রিষ্টানরা তাদের প্রবল এবং ধারাবাহিক ইহুদিবিদ্বেষের দায় ঝেড়ে ফেলবে। এ রকম সময়ে আক্রমণই হলো সর্বোত্তম রক্ষণ। হিন্দুদের যেমন স্বস্তিকা শব্দটির অপসারণ এবং ঘৃণার প্রতীক হিসাবে হ্যাকেনক্রজ শব্দটির অন্তর্ভুক্তির দাবি জানাতে হবে, তেমনই খুব গুরুত্ব সহকারে যেখানে সুযোগ পাবে সেখানেই তাদের বলতে হবে যে, ‘একমাত্র ত্রাতা‘, ‘মদ্যের রক্তে রূপান্তরের মাধ্যমে মুক্তিলাভ‘, ‘চিরন্তন নরক‘ ইত্যাদি উপাদান সংবলিত একেশ্বররবাদী আধিপত্যবাদী খ্রিষ্টান ধর্মতত্ত্বই ঘৃণা এবং অসহিষ্ণুতার প্রকৃত প্রজনন ক্ষেত্র।

লিখেছেন :- অরবিন্দ নীলকন্দন




Swastika, the sacred symbol of the Hindus, has been associated with Hitler's Nazi Party's "Crocodile Cross" in no less attempt to discredit Hindus. Even the Panchamakkars of India have tried to prove the Hindus as barbaric as the Nazis. Let's find out the difference between the two. So that in the future, before someone does these vulgarities in front of you, think twice.
Controversy over the swastika symbol has resurfaced. US Senate member Todd Kaminsky introduced the New York State Senate Bill SS646. Joseph Adabba Jr., Alessandro Biagi, John E. Brooks and David Carlucci - all Democrats - voted in favor of the bill. The bill states that it should be shown to students as a "symbol of hatred" through the "sixth to twelfth grade curriculum".
The bill, which was approved by the Senate, states that "it is important to make students aware of the meaning of the 'swastika symbol' developed as a symbol of racism and intimidation in Nazi Germany in general."


Meanwhile, the American Hindu Against Defamation (AHAD), initiated by the Vishwa Hindu Parishad of America (VHPA), unjustifiably protested against the bill for not knowingly distinguishing between Swastika and Nazi hackneck. Utsav Chakraborty, head of the Legal Aid and Awareness Department at the World Hindu Council in the US, has made clear his Vedic-Buddhist-Jain views on the issue. Even Hitler never used the word "swastika", instead referring to the symbol as the "hakencross", the swastika symbol has been constantly vilified and propagated for the past 60 years. It must be corrected. We should celebrate its positive history without dropping the mark. We have to recover it from the followers of Hitler and his abominable ideology. This mistake must be corrected. "

Belgian Indian theologian Dr. Koenrad Elst recalls how the International Red Cross rejected this rational and secular claim when Sri Lanka in 1955 and later India in 1986 demanded the use of the red swastika instead of the Red Cross. In his book 'Return of the Swastika: Hate and Hysteria versus Hindu Sanity', Dr. Elst highlights an important fact that Westerners are absolutely It is not that they were ignorant, but that they, like the Nazis, are abusing this ancient symbol by covering up the truth. Elst even recorded how a city in Ontario, Canada was named Swastika. Even during World War II, residents resisted the government's decision to name the city Winston (after Churchill). They all said, "Let Hitler go to hell." We already have her swastika. "

Hitler could see the hackneyed cross from the window of his father's house, and according to Robert Payne, the sign of Theodrich von Hagen's hackneyed cross (hooked cross) probably later became the hackneyed cross of the Nazis. There are several historians who, influenced by Lombok's Hackencruz, disagree with Hitler's subsequent use of the Nazi Hackencruz. It should be noted that the hooked cross mark is intentionally and unintentionally identified as a swastika, but hate marks also include the Iron Cross and the Burning Cross of the Ku Klux Klan. Cross marks, in general, this is the match between them! The West blames Swastika for changing the history of the cross's recurrence as a symbol of a movement full of obvious and unforgivable intolerance and hatred - just as Christianity denies the Nazi and Ku Klux Klan movements, which were centered on hate but not evangelical Christianity. There are relationships. Dr. Daniel Runker-LaFerieri, an honorary professor at the Russian University in Davis, California, illustrates this fact uncompromisingly in his detailed book, The Sign of the Cross: From Golgotha ​​to Genocide (Routledge, 2016). He explicitly states, “The fact is that among the various cross-signs, the hooked cross is also used by Christians in their own context. So why is it called ‘swastika’ when discussing this subject? In particular, why are Hindus, Buddhists and some other groups being insulted by using the term even after the Auschwitz incident? Why isn't the Nazi hackneyed cross known as a Christian word and Christian symbol? The most accurate and culturally acceptable translation of the word in English after such a massacre is the hooked cross. "The hooked cross is older than Christianity. These are not considered non-Christian. In 1930, the professor referred to Hitler's use of the hooked cross symbol as a symbol of the Nazi party, stating that "his aim is to unite the Catholic and Protestant denominations in Germany, and one of its political expressions is the symbol of the Nazi party." This Christian cross represents a series of "fights" against the Jews. " There has been a Holocaust-like crime against humanity. The most important aspect of this problem lies in the way Christians have tried to get rid of that crime. Professor Runker-Lafarge explains that "the crusade has been used by political and military Christian leaders as a sign of military victory over non-Christians and even against Christian enemies by defeating death." For example, the military has rallied under the umbrella of the Christian cross in multiple wars against Muslims, Jews, unbelievers, pagans and many others, including multiple crusades. The last successful war against the people considered enemies of the cross sign was the Holocaust (six million Jews lost). The cross in this case was a hooked cross, which, like other cross marks (equivalent Greek cross, kai-ro cross), was adopted as a Christian symbol from Roman cemeteries in the pre-Constantine era. To the Roman Catholic dictator Hitler, the sign of the Nazi hackneyed cross was not the Hindu swastika. It was probably based on the hooked cross mark that the failed artist Hitler noticed while studying at the Benedictine monastery in Lombok as a child. Because the Christian cross is associated with a long history of violence and persecution, educated Christians have serious emotional barriers to paying homage to the main symbol of their own faith. "

So what is the solution? The solution, according to Christians, is to free the hegemonic Christian theology from the guilt of Holocaust-related crimes, and to use that responsibility as a weapon in the latest war against one of the remaining important Hindu sects, the pagans. By constantly calling the hooked cross the "swastika", Christian society has succeeded in shifting the blame for the Nazis' anti-Semitism to paganism. By expansion they have also associated Hinduism with it. So, when children learn the ‘swastika’ as a symbol of hatred instead of the ‘hooked cross’, they will at the same time learn about the ‘Aryan India invasion theory’ and the ethnic interpretation of the so-called caste system in India. In this way the students will accept Hinduism as similar to Nazism. If children go to school after graduation to study Indology, Sheldon Pollock's skillfully researched false studies will reveal how India's Vedic approach through German Indo-Germanism engulfed Germany from within, and how the Nazi movement took place as a result or with its help. Is. In this way, Christians will shed the burden of their strong and persistent anti-Semitism. Attack at such times is the best defense. Just as the Hindus have to demand the removal of the word swastika and the inclusion of the word hackencruz as a symbol of hatred, so too, wherever the opportunity arises, they must say that monotheism is the only savior with the elements of 'only savior', 'liberation through transfusion of alcohol' and 'eternal hell' Dominant Christian theology is the real breeding ground for hatred and intolerance. Writes: - Arvind Nilkandan

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url

আপনাদের ক্লিক এই Website টি সচল রাখার অর্থ যোগাবে।